চাকরির আবেদন করুন ঘরে বসে বিনা পয়সায়

কেমন আছেন সবাই? চাকরি আমাদের জীবনের জন্য ম্যুল্যায়নের মাপকাঠি। বর্তমান সমাজ আমাদেরকে চাকরির ম্যাধমেই মূল্যায়ন করে। এবং একটা ছেলের চাকুরি যত ভালো , বিয়ের বাজারে সেই ছেলের দাম তত বেশি। এবং মেয়ের বাবারাও একজন সরকারি চাকুরি জীবি ছেলে খুজে তার মেয়ের জন্য। সেজন্য সরকারি চাকুরিকে সোনার হরিণ ও অনেকে বলে থাকে। যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি। 

সবাই শুধূ সফলতাই দেখে। কিন্তু একজন বেকারের পক্ষে প্রায়প্রায় চাকরির এপ্লাই করতে যে কতটা বেগ পোহাতে হয়। সেটা কেউ দেখে না। বাংলাদেশের পরিস্থতিতে একএকটা চাকুরির আবেদন করতে মিনিমাম ১১২/= টাকা প্রয়োজন হয়। সাথে কম্পিউটারের দোকানে আরো ৫০-১০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হয়। চিন্তু করুন ১ মাসে যদি ১০ টা আবেদন করেন তাহলে শুধু কম্পিউটারের দোকানেই দিতে হয় ৫০০-১০০০টাকা। একটা বেকার ছেলের জন্য এটাই অনেক। দোকান থেকে আবেদন করলে নানান সমস্যা পোহাতে হয়। অনেকসময় দেখা যায় লাইন এ দাড়িয়ে আবেদন করতে হয়।  অনেকে জানেই না যে আবেদন কিভাবে করতে হয়। অথচ সমান্য একটু কষ্ট করলেই নিজের আবেদন নিজে করতে পারবেন। 

আজকে আপনাদেরকে জানিয়ে রাখবো কিভাবে নিজের আবেদন নিজেই করবেন। শুধু মাত্র এপ্লিকেশন ফি টা দেওয়া লাগবে। যেহেুত প্রায় প্রায় আবেদন করবেন সেহেতু আপনাকে সবসময় একটা ছবি এবং একটা সিগনেচার এর ফটো রাখতে হবে। 

ফটোর সাইজ: 300*300 পিগজেল

সিগনেচার সাইজ: 300*80 পিগজেল

এই দুইটা সবসময় ফোনে বা কম্পিউটারে রাখবেন। ঝবি সাইজ করতে না পারলে ফোন বিভিন্ন এপস পাওয়া যায় সেগুলো ইন্সটল দিয়ে ছবি সাইজ করতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনেও ছবি সাইজ করা যায়।

এরপর আপনাকে কিছু জিনিস রেডি রাখতে হবে। যেহেতু আপনি প্রায় প্রায় চাকরির আবেদন করবেন সেজন্য এগুলো সবসময় এর জন্য রেডি রাখবেন।

যেমন:

১: টেলিটক সিম কার্ড (অব্যশই একটিভ এবং টাকার মেয়াদ থাকতে হবে)

২: মোবাইল ফোন যা দিয়ে আবেদন করবেন অবশ্যই ফোনে ইন্টারনেট থাকতে হবে। মিনিমাম ২০০ এমবি থাকলে ভালো হয়।

৩: ইমেল এড্রেস

৪: ছবি এবং সিগনেচার

 যেই আবেদন করবেন তার জন্য আপনার টাকা টা টেলিটক সিমে রিচার্জ করতে হবে। কতটাকা দিয়ে আবেদন করতে হবে সেটা সার্কুলার এ দেখে নিবেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন আবেদন ফি এর থেকে অবশ্যই টেলিটক সিমে ২০ টাকা এক্সট্রা থাকতে হবে। কারন এটা এসএমএস হিসেবে কাটে। 

এখন দেখাবো কিভাবে সরকারি চাকুরীর আবেদন ফরম পূরন করবেন। আমরা যে পদ্ধতিতে আবেদন করবো সেটা হচ্ছে অনলাইন পদ্ধতিতে । কারন এখন অধিকাংশ আবেদনই অনলাইনে হয়ে থাকে। এবং আপনি যেই পত্রিকাতে আবেদন দেখবেন সেখানে উল্লেখ করে দেয়া থাকে কোন লিংকে আবেদন করতে হবে। সেজন্য আপনার সার্কুলার টি ভালোকরে পড়তে হবে। কারন সামান্য এই কাজটুকু করার জন্যই কম্পিউটারের দোকানদাররা ৫০ টাকা বেশি নেয়। এটা রিতিমত ডাকাতি। 

এখন আপনাদের কি কি লাগবে সেটা আমি বলেই দিয়েছি। এখন এগুলো রেডি করার পর আপনাদেরকে কিভাবে কি করতে হবে সেটা আমি ভিডিও করে বুঝিয়েছি। কারন লেখা পড়ে সব বোঝা সম্ভব নয় । তাই আপনাদের জন্য ভিডিও বানানো। এবং ভিডিও টিতে আমি সম্পূর্ন প্রসেস বলে বুজিয়ে দিয়েছি। কোথায় মানুষের ভুল হতে পারে। এবং কিভাবে আপনারা সঠিক ভাবে নিজেই চাকুরির আবেদন করবেন এবং অনলাইনে আবেদন এর অবস্থা জানবেন সেটা আমি আমার ভিডিও টিতে বুঝিয়ে দিয়েছি। আপনারা ভিডিও খুব সতর্ক ভাবে দেখবেন। অনেকে টেনে টেনে ভিডিও দেখেন তারা গুরুত্বপূর্ন কোন সাবজেক্ট মিস করলে দোষ কিন্তু আমার না। 

এছাড়া সবার উপকারের জন্য আমি এত কষ্ট করে ভিডিও এবং পোষ্ট লিখি আপনারা যদি আগ্রহ না দেন তাহলে হয় না। সেজন্য অবশ্যই আমার ইউটিউব চ্যানেল টি সাবক্রাইব করবেন এবং ভিডিও টিতে লাইক দিবেন।

ত চলুন এখন ভিডিও টি দেখা যাক: https://www.youtube.com/watch?v=KZ__nokBr8E





Post a Comment

0 Comments