পেনড্রাইভ বুটেবল করার সহজ নিয়ম


শীতের সন্ধায় সবাই কেমন আছেন? আজকে আপনাদের জন্য একটা সহজ সমাধান নিয়ে চলে আসলাম। আমাদের অনেকেরই উইন্ডোস সেটাপ দেওয়া লাগে । কিন্তু সবার জন্য CD Drive থাকে না। কারন বর্তমানে ২০২১-২০২২ সালের যেসকল আপগ্রেডিং ল্যাপটপ বার হচ্ছে তার কোনোটিতেই সিডি ড্রাইভ থাকে না। বর্তমানে যুগে সবথেকে বেশি ব্যাবহার হয় পেনড্রাইভ এবং ক্লাউড স্টোরেজ। সেজন্য লাপটপ কম্পানি গুলো সাথে এই ড্রাইভ দেয় না। এবং অনেক দিন যখন এগুলো পড়ে থাকে তখন এতে ধুলো জমে যায় ফলে এগুলো এমিনিতেই নষ্ট হয়ে যায়। তাছাড়া এটা বাদ দিলে ্যরাপটপ গুলো অনেক বেশি স্লিম করা যায়। ফলে এখন আর সিডি ড্রাইভের প্রচলন নেই। 

কিন্তু সমস্যা তখনই বাধে যখন দেখেন উইন্ডোস দিবেন। ম্যাক্সিমাম ল্যাপটপে দেখা যায় সিডি ড্রাইভ না থাকার কারনে ব্যাবহার কারিরা বিপাকে পড়ে যায়। কিন্তু তাদের জন্য সমস্যার সমাধানও আছে। প্রযুক্তি যেমন উন্নত হচ্ছে তেমনি আমাদেরও নিজেদেরকে প্রযুক্তির ব্যাবহার সম্পর্কে জানতে হবে। এছাড়া বর্তমানে উইন্ডোসের যেকল আপডেট ভার্সন বের হয়েছে সেগুলো সিডি ড্রাইভ দিয়ে সেটাপ করলে সকল ফিচার ইন্সটল হয় না সে জন্য পেনড্রাইভ ই সব থেকে ভালো মাধ্যম। 

ত এবার আসি কিভাবে এই পেনড্রাইভ বুটেবল করবেন:

পেনড্রাইভ বুটেবল করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়ার ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। কিন্তু সব সফটওয়ার এর ফিচার একরকম নয়। সেজন্য পেনড্রাইভ বুটেবল করার নিয়ম অনুযায়ী আমার কাছে ব্যাক্তিগত ভাবে Rufus Bootable সফটয়ারটি ভালো লাগে । কারন এর বিভিন্ন  ফিচার রয়েছে। আগে সফটওয়ার এর চিত্রটি দেখুন :

এই সফটওয়ার টির সুবিধা হচ্ছে এটা ২ধরনের Partition Scheme সাপোর্ট করে একটি MBR এবং আরেকটি GPT পার্টিশন। ফলে আপনি আপনার হার্ডডিষ্ক পার্টিশন অনুযায়ী এটাকে বুটেবল করতে পারবেন। যেটা অনেক সহজ প্রক্রিয়া। এছাড়া সফটয়ারটি ২ধরনের ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করে NTFS এবং FAT32 । তবে যেহেতু উইন্ডোস অপারেটিং সিস্টেম NTFS কে বেশি সমর্থন দেয় তাই এটাকে ডিফল্ট হিসেবে রাখাই সবথেকে ভালো। এবং একই সাথে এটা CMS এবং NON CMS ২ধরনের টার্গেটেড মেশিনেই কাজ করে। এবং সফটয়ারটি অনেক হাল্কা সাইজও ছোটো। ফলে ব্যঅবহার কারিদেরকে অতিরিক্ত ঝামেলাতে পড়তে হয় না। ডিভাইস থেকে পেনড্রাইভ সিলেক্টকরে বুট সেকশনে উইন্ডোস iso ফাইলকে দেখিয়ে দিতে হবে। মানে সিলেকশন করতে হবে। বাকিটুকু সফটওয়ার অটো সেটিংস করে নিবে তবে File System এ অবশ্যই আপনাকে NTFS সিলেক্ট করতে হবে । ফলে আপনাদের ম্যানুয়ালি কিছুই সেটিংস করা লাগবে না। এরপর START এ ক্লিক করলে একটি পপআপ আসলে OK ক্লিক করলে আপনার বুটবেল অপারেশন শুরু হবে। 

পেনড্রাইভের গতি অনুষারে পেনড্রাইভ বুট হতে সময় লাগবে । যদি আপনার পেন ড্রাইভ USB 2.0 হয় তাহলে বুট হতে দেরি হবে। কারন আমরা সবাই জানি এটা ব্যাকডেটেড ভারশনের পেনড্রাইভ গুলো স্লো হয়।  আর আপনার যদি USB 3.0, 3.1, 3.2 পেনড্রাইভ হয় তাহলে গতি বেশি পাবেন। এবং বুটেবলও আরো দ্রুত হবে। 

বুটেবল শেষে আপনি READY লেখার উপর একটা সবুজ কালার দেখতে পারবেন। তখন বুঝবেন যে আপনার পেনড্রাইভ টি বুটেবল হয়ে গেছে। এবং আপনি নিশ্চিন্তে উইন্ডোস দিতে পারবেন। আশাকরি আপনাদের সমস্যা হবে না। তবে অনেকে চিন্তা করতে পারেন Windows iso ফাইল কোথায় পাবো তারা আমার আর্টিকেল টি পড়তে পারেন তাহলে জানতে পারবেন কিভাবে অফিসিয়াল মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট থেকে লেটেষ্ট উইন্ডোস ডাউনলোড করা যায়। তার জন্য আমি পোষ্ট টির লিংক দিয়ে দিলাম: Link

তবে যারা প্রথমবার উইন্ডোস দিবেন তাদের জন্য বলে রাখি তারা অনেকেই বুট করার পর উইন্ডোস দেওয়ার সমস্যায় পড়তে পারেন। সেটা হচ্ছে উইন্ডোস যুক্ত পেনড্রাইভ সহ যখন পিসি ওপেন করবেন তখন আপনার পেনড্রাইভ ২রকম শো করতে পারো । EFI এবং UEFI মোডের। আপনাকে ২ টা দিয়েই ট্রাই করতে হবে কোনটা আপনার ল্যাপটপ বা পিসি সাপোর্ট করে। সাধারনভাবে UEFI টাই সব কম্পিউটার এ সাপোর্ট করে। কিছু ওল্ড মডেলের আর্কিটেকচারের কম্পিউটারে EFI মোড টা সাপোর্ট করে। এটা তখনই বুঝতে পারবেন যখন সি ড্রাইভের পার্টিশন এ গিয়ে ফরমেট করে নেক্সট দিতে যাবেন। নেক্সট বাটন টি সাদা হয়ে থাকবে। নেক্সট ই হবে না। তখন আপনাকে পুনরায় শুরু করতে হবে অন্য মোড ব্যাবহার করে।

যাই হোক এরপরেও যাদের সমস্যা থাকবে তারা নিচের ভিডিও দেখে নিবেন। আশাকরি আপনাদের কাছে আরো সহজ মনে হবে। ভিডিও লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=bCmc8ccQt-g




Post a Comment

0 Comments